নাটোর প্রতিনিধি : মোঃ আলমগীর কবির
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার লক্ষিকোলসহ আশেপাশের বিভিন্ন বাজারে রসুনের দাম হঠাৎ করেই অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। সাধারণত মৌসুমে প্রতি মন রসুন ৩ হাজার থেকে ১০–১২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। কিন্তু এ মৌসুমে দাম নেমে এসেছে মাত্র প্রায় ১ হাজার টাকায়। মৌসুমের শুরুর দিকে ২–৩ হাজার টাকায় লেনদেন হলেও ক্রমাগত পতনের ফলে এখন বাজার কার্যত স্তব্ধ হয়ে আছে।
লক্ষিকোল বাজার ঘুরে দেখা যায়—রসুনের মন প্রতি দাম এখন সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদা কমে যাওয়া এবং বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহই এই অস্বাভাবিক মূল্যহ্রাসের প্রধান কারণ। অন্যদিকে কৃষকদের বক্তব্য, রসুন বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায় না; অল্প সময়েই অঙ্কুরোদগম শুরু হয়। তাই ন্যায্যমূল্য না পেলেও তারা বাধ্য হয়ে দ্রুত বিক্রি করতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে বড়াইগ্রামজুড়ে রসুনচাষিদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের ভাষ্য, উৎপাদন খরচের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছরের দাম তাদের চরম লোকসানে ফেলেছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন—দাম না বাড়লে আগামী মৌসুমে রসুন চাষের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
কৃষকেরা সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বিক্রিতে তারা যথাযথ সুরক্ষা পান।