নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ আলমগীর কবির’ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আজ সন্ধ্যায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং “জুলাই সনদ” বাস্তবায়নে গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেছে। ঘোষণার পর পুরো দেশজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ আরও বেড়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, জমা, যাচাই-বাছাই, প্রার্থীতা প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারের সময়সীমা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সকল আগাম প্রচারসামগ্রী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেয়া হয়। ইসি বলেছে—সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা এ বছরের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে পর্যায়ক্রমে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। দেশের প্রায় সব ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই খসড়া করা হয়েছে। এদিকে তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম আরও দ্রুত হয়েছে। তারা প্রার্থী চূড়ান্ত করা, কেন্দ্রভিত্তিক প্রচার কৌশল নির্ধারণ এবং দলীয় কর্মীদের সক্রিয় করার কাজ শুরু করেছে। সাধারণ ভোটারের মধ্যেও নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে নতুন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, অনেকেই এখন থেকে ভোটের পরিবেশ, প্রার্থী নির্বাচন এবং প্রত্যাশিত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, তফসিল প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এবং আগামী দিনগুলোতে নিয়ম মেনে সব ধাপ সম্পন্ন করা হবে। ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য দিন যতই ঘনিয়ে আসবে, প্রশাসন, প্রার্থী ও ভোটার—তিন পক্ষের প্রস্তুতিও তত বাড়বে। দেশবাসী আশা করছে একটি শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন ধারায় এগিয়ে নেবে।