নাটোর সংবাদদাতা: মোঃ আলমগীর কবির
বড়াইগ্রাম উপজেলার ভরতপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বড়াইগ্রাম বাইগান দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মাওলানা মোঃ ফরজ উল্লাহ ইসলামী সংগীতচর্চায় এক উজ্জ্বল নাম। গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী—এই তিন পরিচয়ই তিনি দক্ষতার সঙ্গে ধারণ করে চলেছেন। প্রতিনিয়ত লিখে যাচ্ছেন ইসলামী গজল, হামদ-নাত, ছোট কবিতা এবং আধ্যাত্মিক ভাবধারার সংগীত।
তার লেখা ও সুরে প্রাণ পায় নৈতিকতা, মানবতা ও ইসলামী মূল্যবোধ। মাদ্রাসায় তিনি শুধু পাঠদানই করেন না; ছাত্রছাত্রীদের মননশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ইসলামী সংগীত, শিষ্টাচার, পড়াশোনায় মনোযোগ ও সুন্নতি জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা দেন। তার বিনয়ী আচরণ, আন্তরিকতা ও সহজ-সরল ব্যবহারে তিনি ছাত্র-শিক্ষক সবার চোখে নম্রস্বভাবের প্রিয় শিক্ষক।
এলাকার বিভিন্ন ছোট-বড় সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিনি নিয়মিত ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন। তার কণ্ঠ ও পরিবেশনা মানুষকে আনন্দ দেয়, ছুঁয়ে যায় হৃদয়। পাশাপাশি ইউটিউব, ফেসবুকসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তিনি নিজের গজল ও সংগীত প্রকাশ করে থাকেন—যা ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
শুধু সংগীতচর্চাই নয়—তিনি যুক্ত আছেন নানা সাংস্কৃতিক ও শিল্প সংগঠনের সঙ্গেও। সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস), সাইমুম শিল্পগোষ্ঠীসহ অন্যান্য সৃজনশীল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার গড়ে উঠেছে গঠনমূলক সম্পর্ক। এসব প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা তার সৃষ্টিশীলতা, মানবিকতা ও শিল্পীসত্তাকে যথাযথ স্বীকৃতি দিয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনি পেয়েছেন সম্মান, মর্যাদা ও যথাযোগ্য স্থান।
এলাকার মানুষ, ছাত্রছাত্রী, সহকর্মী শিক্ষক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার উন্নতি ও সাফল্যে গর্ব করেন। সবাই তার সর্বাঙ্গীণ সফলতা, আরও উচ্চতায় পৌঁছানো ও সুস্থ-সুন্দর জীবন কামনা করেন।
ইসলামী সংগীত, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিকতার এক সমন্বিত রূপ—মাওলানা মোঃ ফরজ উল্লাহ। তার এই পথচলা শুধু এলাকাবাসীর গর্বই নয়, আগামী প্রজন্মের জন্যও এক অনুপ্রেরণার আলো।