August 4, 2026, 7:34 pm
শিরোনাম:
পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন রৌমারীতে বিজিবির অভিযানে বিপুল ইয়াবা জব্দ: বিষাক্ত মাদকের হাত থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে চাই জিরো টলারেন্স পীরগঞ্জের রসুলপুরে ব্যবসায়ীকে দিনের আলোয় অপহরণের চেষ্টা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল ঘটনা। পেটে বিশেষ কৌশলে বহন করা ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ কাশিয়ানীতে যুবক গ্রেপ্তার টেকনাফ- কক্সবাজার মহাসড়কে চলন্ত বাসে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, বিকাশের দুই সেলসম্যানকে কুপিয়ে ৫৭ লাখ টাকা ছিনতাই গোবিন্দগঞ্জে পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ চার দশকের পথচলা উদযাপন, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রত্যয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নেলসন ম্যান্ডেলা স্মৃতি সম্মাননা পেয়েছেন মুকসুদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন মুকসুদপুর উপজেলা যুবলীগের সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম গোপালগঞ্জে মাদকসহ দুজনের কারাদণ্ড

রৌমারীতে বিজিবির অভিযানে বিপুল ইয়াবা জব্দ: বিষাক্ত মাদকের হাত থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে চাই জিরো টলারেন্স

Reporter Name

রৌমারীতে বিজিবির অভিযানে বিপুল ইয়াবা জব্দ: বিষাক্ত মাদকের হাত থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে চাই জিরো টলারেন্স

রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি
৩ আগস্ট, ২০২৬
আজ রৌমারী বিওপির একটি চটপটে টহল দল কর্তৃক ১,৯৭৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটকের ঘটনাটি এলাকায় সাময়িক স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫ বিজিবি)-এর নায়েক সিগন্যাল মো. মাহাবুবের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী। কিন্তু এই একটি সাফল্যই কি পুরো রৌমারীকে মাদকমুক্ত করার জন্য যথেষ্ট? আমাদের মনে রাখতে হবে, ইয়াবার প্রতিটি বড় চালানের পেছনে লুকিয়ে থাকে হাজারো তরুণ-তরুণীর ভবিষ্যৎ ধ্বংসের গল্প। রৌমারীর খাটিয়ামারী গ্রামের এক ব্যক্তি যখন বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ধরা পড়ে, তখন বোঝা যায় মাদকের মূল শিকড় কতটা গভীরে পৌঁছেছে। অভিযানের সময় অপর এক অভিযুক্ত সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান চ্যালেঞ্জ। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইটি কেবল অপরাধী ধরার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, এর মূল উৎপাটন করতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: আটককৃত কারবারি ও পলাতক সহযোগীর বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় দায়েরকৃত মামলাটি যেন কঠোর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারিক পরিণতি পায়। অপরাধীরা যেন কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে বের হতে না পারে। সীমান্তে কঠোর নজরদারি: বিজিবির সীমান্ত টহল আরও কঠোর করার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে, যাতে ইয়াবার মতো বিষাক্ত জিনিস সীমান্তে পা রাখার আগেই রুখে দেওয়া যায়। পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধ: পরিবারগুলোকে তাদের সন্তানদের চালচলনের দিকে নজর রাখতে হবে। রৌমারীকে মাদকের ট্রানজিট রুট হতে দেওয়া যাবে না। ৩৫ বিজিবির এই সফলতা আমাদের আশান্বিত করে। সীমান্ত পাহারা দেওয়ার পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে বিজিবির এই ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা রৌমারীবাসীর।



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/