July 28, 2026, 3:41 am
শিরোনাম:
ভেদেরগঞ্জে নবম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ। রৌমারীতে কোলের শিশু ফেলে প্রবাসীর স্ত্রীর পলায়ন: পারিবারিক সচেতনতা কতদূর? শরীয়তপুরে চুরির অপবাদ দিয়ে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ আনোয়ার মোল্লার বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ সাময়িক বরখাস্ত: আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে অর্পণ গোপালগঞ্জ পৌরপার্কে বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন। মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা কামরুজ্জামান স্বপন মাদক, জুয়া ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আলোচনা সভা। মুকসুদপুর স্কুল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের বিজ্ঞান ও মহাকাশবিষয়ক সংলাপ রিয়ান হত্যায় মানববন্ধনে উত্তাল কমলাপুর, আসামিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ। পাবনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১জন মাদক ব্যবসায়ী ও ৫জন মাদকসেবী গ্রেফতার

লোকসানের ক্ষত বুকে নিয়ে আবার ও মাঠে কৃষক, দামের অনিশ্চয়তায় বড়াইগ্রামের রসুন চাষিরা

‎নাটোর জেলা প্রতিনিধি: মোঃ আলমগীর কবির

লোকসানের ক্ষত বুকে নিয়ে আবার ও মাঠে কৃষক, দামের অনিশ্চয়তায় বড়াইগ্রামের রসুন চাষিরা

‎নাটোর জেলা প্রতিনিধি: মোঃ আলমগীর কবির

‎ প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমেও বাটোরা, গোপালপুর, মহানন্দগাছা, ভরতপুর, মানিকপুর ও তারানগরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক আকারে রসুন চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে লোকসানের পরও ভালো দামের প্রত্যাশায় নতুন করে চাষ শুরু করেন কৃষকরা।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোর অঞ্চল থেকে দেশের মোট রসুন উৎপাদনের প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ সরবরাহ হয়। বর্ষা মৌসুমে চলনবিলের পানি প্রবাহিত হয়ে জমিতে উর্বর পলি জমে, যা এই অঞ্চলে রসুনের উচ্চ ফলনের প্রধান কারণ। বিপুল উৎপাদনের ফলে লক্ষ্মীকোল, রয়না ভরট হাট মেরি গাছা, মৌখাড়াহাট সহ এলাকায় একাধিক রসুনের হাট গড়ে উঠেছে।
‎তবে চলতি মৌসুমে বাজারে রসুনের দাম আশানুরূপ না হওয়ায় কৃষকরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। সার, বীজ ও শ্রমের খরচ বেড়ে যাওয়ার বিপরীতে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় অনেকেই মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
‎বাটোরা গ্রামের রসুন চাষি মোঃ মনু মিয়া বলেন, উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও বাজারে সেই অনুযায়ী দাম মিলছে না। এতে সংসার চালানো নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গোপালপুর এলাকার কৃষক মোঃ সেন্টু জানান, গত বছরের লোকসানের পরও আশার কথা ভেবেই তারা চাষে নেমেছিলেন, কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সেই আশাকে অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। ভরতপুর গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ বলেন, এই অঞ্চলের মাটি ও পরিবেশ রসুন চাষের জন্য উপযোগী হলেও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত না হলে কৃষকদের টিকে থাকা কঠিন হবে।
‎কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত নজরদারি ও বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ না থাকায় তারা বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। দ্রুত বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত না করা হলে আগামীতে রসুন চাষে আগ্রহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে রসুন চাষিদের সুরক্ষা দেবে।



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/