October 29, 2026, 2:24 am
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

নাটোরের বড়াইগ্রামে কুল বড়ই চাষে সাফল্য দূই তরুণের

নাটোর জেলা প্রতিনিধি আলমগীর কবির

নাটোরের বড়াইগ্রামে কুল বড়ই চাষে সাফল্য দূই তরুণের

নাটোর জেলা প্রতিনিধি আলমগীর কবির

সারি সারি সবুজ গাছ, ডালে ডালে ঝুলে থাকা চকচকে বড়ই আর ব্যস্ত শ্রমিকদের আনাগোনায় বদলে গেছে গ্রামের চিত্র। এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন দুই তরুণ উদ্যোক্তা—মোঃ লিটন আহমদ ও প্রফেসর মোঃ উজ্জ্বল।
নিজেদের মেধা, পরিশ্রম আর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে তারা গড়ে তুলেছেন একটি আধুনিক ও লাভজনক কুল (বড়ই) বাগান।

প্রায় ৮ বিঘা জমিতে স্থাপিত এই বাগানে চাষ করা হচ্ছে দুটি উন্নত ও উচ্চফলনশীল জাত—ভারত সুন্দরী ও বল সুন্দরী।

স্বাদে, আকারে ও বাজারদরে এই জাতের বড়ই ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করেছে।
উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাগান ব্যবস্থাপনায় তারা শুরু থেকেই আধুনিক চাষপদ্ধতি অনুসরণ করছেন।

সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, নিয়মিত পরিচর্যা ও রোগবালাই দমনে সচেতনতার ফলেই এসেছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। চলতি মৌসুমে তাদের উৎপাদিত বড়ই প্রতি মণ ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা কৃষিতে লাভজনক বিনিয়োগের একটি বাস্তব উদাহরণ।
এই বড়ই বাগান শুধু উদ্যোক্তাদের আর্থিক স্বচ্ছলতাই বাড়ায়নি, সৃষ্টি করেছে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও। ফল সংগ্রহ, পরিচর্যা, বাছাই ও পরিবহনে নিয়মিত কাজ করছেন আশপাশের গ্রামের একাধিক শ্রমিক। ফলে কয়েকটি পরিবারের জীবিকায় এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।

বাগানটির সৌন্দর্যও আলাদা করে নজর কেড়েছে এলাকাবাসীর। পরিপাটি পরিবেশ, সবুজের সমারোহ আর বড় আকৃতির রসালো বড়ই—সব মিলিয়ে এটি যেন কৃষির এক জীবন্ত প্রদর্শনী

। অনেক ক্রেতা দূরদূরান্ত থেকে সরাসরি বাগানে এসে বড়ই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, এতে মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভরতা কমে সরাসরি কৃষক ও ভোক্তা—উভয়ই উপকৃত হচ্ছেন।

লিটন ও উজ্জ্বল জানান, ভবিষ্যতে তারা বাগানের পরিসর আরও বাড়াতে চান। পাশাপাশি নতুন জাতের বড়ই চাষ এবং আগ্রহী কৃষকদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বড়াইগ্রামসহ পুরো নাটোর জেলার কৃষকদের জন্য হতে পারে একটি অনুসরণযোগ্য দৃষ্টান্ত। প্রমাণ হয়েছে—সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক জ্ঞান ও নিরলস পরিশ্রম থাকলে কৃষিই হতে পারে টেকসই উন্নয়নের শক্ত ভিত।



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/