জিয়াউল হক আনছারী
বান্দরবান।
বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্ত চোরাচালানের বিষয়টি নতুন নই প্রতিদিন প্রতি সময় বিভিন্ন পন্থায় ভিন্ন কৌশলে স্হানীয় অনেকের সহায়তায় চলে এই চোরা কারবারি। কখনো কখনো সরকারি দল কখনো কখনো প্রভাব স্হানীয় প্রভাব শালী নেতা এই এই কাজের সাথে জড়িত। কোন সময় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে, আবার কোন সময় প্রভাব কাটিয়ে এই চোরা কারবারির সাথে রাম রাজত্ব করছে। এই চোরা কারবারি মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য,চিনি, তেল,সার চাউল,গরু সহ বিভিন্ন কিছু, বর্তমানে এই সকল চোরা কারবারিরা চোরাই কাজে নতুন রোড ৫১,৫২ ও ৫৩ পিলার পয়েন্ট গুলো ব্যবহার করছে। যেটি নাইক্ষ্যংছড়ি পাইনছড়ি -কুরিক্ষ্যং- চিকনছড়ি- বাইশারী সড়ক দিয়ে ঈদগাঁ বা খুটাখালী নিয়ে যাওয়া হয়।স্হানীয় সিমান্ত বর্তী নাম না বলার শর্তে এক লোক বলেন -আসরের পর থেকে রাতের ৪ টা পর্যন্ত প্রতিনিয়ত এই চোরাই কাজ চলতে থাকে। তাদের অভিযোগ এই কাজের কারনে তাদের বসত ভিটার ঘেরা,ফসলি জমি,ক্ষেত খামার নষ্ট করে দেয়।তাদের অভিযোগ এই চোরাই কাজের সাথে জড়িত মানুষ গুলো প্রভাব শালী হওয়াই তাদের কিছু বলা যাইনা উল্টো মুখ খুল্লে প্রান নাশের হুমকি দেয় বলে স্হানীয় একাদিক লোক এই কথা উপস্হাপন করেছেন।তারই প্রেক্ষিতে ২০ তারিখে নাইক্ষ্যংছড়ি১১ বিজিবি গুপন সুত্রের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ১৫ টি বর্মী গরু জব্দ করে। আটকের বিষয় টি বিজিবির সুত্রে নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয়রা জানান, গরু ছিল কয়েকশ। আটকও হয় বেশ। বাকী গরু আটক স্থানে বনে জঙ্গলে ও নানা গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এখন অস্ত্র দিয়ে পাহারা বসিয়েছে চোরাকারবারীরা। বিজিবি সাবধানে অভিযানের পরিকল্পনা করছে যেন বাকি গরু গুলো ও চোরাই কাজের সাথে জড়িত লোকদের ধরতে পারে। উল্লেখ্য, চোরাকারবারের আগের রোডও খোলা আছে।স্হানীয় লোকদের অভিযোগ হচ্ছে তারা এর সুস্থ ও সুন্দর সমাধান চাই এবাং অপারেশন চালিয়ে এই কাজের সাথে জড়িত লোকদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক বিচারের আশা প্রকাশ করেছেন।