মোঃ আব্দুল মতিন প্রধান
জেলা প্রতিনিধি জয়পুরহাট
জয়পুরহাট-১ আসনে শিক্ষা–স্বাস্থ্য–সম্মানহ পরিবর্তনের পথে মোঃ মাসুদ রানা প্রধানের প্রতিশ্রুতি
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জয়পুরহাট ১ আসন (জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ মাসুদ রানা প্রধান আজকে পাঁচবিবি উপজেলার বিনধারা প্রাইমারী স্কুল মাঠে বিশাল এক নির্বাচনী জনসেবায় হাজার হাজার জনগনের উপস্থিতিতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন । নির্বাচন উল্লেখ করে তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন এলাকাবাসীর জন্য প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব উন্নয়ন চাই, সামনে আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন, যা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। এই নির্বাচন শুধু একজন প্রার্থী বাছাই নয়, এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে রায় দেওয়ার দিন।
আমার লক্ষ্য জয়পুরহাট একটি আধুনিক ও আত্মনির্ভরশীল এলাকা গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যেই আমি একটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করব, যাতে আমাদের সন্তানদের আর দূরে যেতে না হয় উচ্চশিক্ষার জন্য। এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শিক্ষা দেবে না, হাজারো তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। স্বাস্থ্যখাতেও আমরা বাস্তব পরিবর্তন আনতে চাই। প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমান ৫০ শয্যার পরিবর্তে ১০০ শয্যা নিশ্চিত করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ উন্নত চিকিৎসা সেবা নিজ এলাকাতেই পায় এবং প্রাধিকার অনুযায়ী সমস্থ ডাক্তারের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে চিকিৎসার অভাবে যেন মানুষ কষ্ট না পায়। এই অঙ্গীকার নিয়েই আমরা এগোতে চাই।
সামাজিক ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করাও আমাদের অগ্রাধিকার। তাই প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে সরকারি কবরস্থান স্থাপনের পরিকল্পনা করেছি যাতে গরিব-দুঃখী মানুষ মৃত্যুর পরও সম্মানের সঙ্গে দাফনের সুযোগ পায়। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রত্যেক ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি করে শ্মশানঘাট স্থাপন করা হবে, যেন ধর্মীয় অধিকার নিয়ে কাউকে আর কষ্ট পেতে না হয় বা দূরে যেতে না হয়।
আমরা বিশ্বাস করি—উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা-ঘাট নয়, উন্নয়ন মানে মানুষের সম্মান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সমর্থন ও ভালোবাসা একান্ত প্রয়োজন।
আসুন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভয়ভীতি ও প্রলোভন উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আপনার মূল্যবান ভোট টি ধানের শীষে দিন। আপনার একটি ভোটই হতে পারে এলাকার ভাগ্য বদলে দিতে পারে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে দিতে। ভোট দিন—উন্নয়ন, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে। সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী কামনা করে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দিন। সর্বশেষে তিনি ধানের শীষের বিভিন্ন ধরনের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে পুরো সমাবেশ।