সাদুল্লাপুরে কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদ কারাগারে:
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
মোঃ সুমন মিয়া
বিভ্রান্তিকর সংবাদের প্রতিবাদ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৩নং দামোদরপুর ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদকে কারাগারে পাঠানো নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা যায়, ঘটনাটি কোনো বিয়ে রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত নয়; বরং একটি ‘খোলা তালাক’ সম্পাদনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট আইনি জটিলতার ফল। এ বিষয়ে দায়ের করা একটি নালিশি (সি আর) মামলায় কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদকে ৫ নম্বর আসামি করা হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নলডাঙ্গা এলাকার নিকাহ রেজিস্ট্রার মরহুম আব্দুল হালিমের পুত্র সাজ্জাদ হোসেন, দামোদরপুর ইউনিয়নের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে সংশ্লিষ্ট খোলা তালাকটি সম্পাদন করেন। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট নারী তালাকনামায় স্বাক্ষর করলেও পরে তা অস্বীকার করেন এবং প্রতারণা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৮৬, ৪২০ ও ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় কাজী মাওলানা আব্দুল হামিদকে শুধুমাত্র তার রেজিস্ট্রেশন বই ব্যবহারের কারণে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন। তবে গাইবান্ধার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী আদালত, সাদুল্লাপুর) পাপড়ি বড়ুয়া জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি খোলা তালাক সংক্রান্ত বিরোধ। ঘটনাটিকে বিয়ে রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর।
এ বিষয়ে প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
মাওলানা আব্দুল হামিদের পক্ষে
আবু সাঈদ খুদরী লিখন
সাবেক জেলা সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, গাইবান্ধা জেলা