October 28, 2026, 3:55 pm
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

রূপগঞ্জ থেকে চুরি হওয়া আরএফএল-এর ২৮ লাখ টাকার মালামালের ১৮ লক্ষ টাকার পণ্য সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী থেকে উদ্ধার। গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: মোঃ সুমন মিয়া

Reporter Name

রূপগঞ্জ থেকে চুরি হওয়া আরএফএল-এর ২৮ লাখ টাকার মালামালের ১৮ লক্ষ টাকার পণ্য সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী থেকে উদ্ধার।

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
মোঃ সুমন মিয়া

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে চুরি হওয়া স্বনামধন্য আরএফএল কোম্পানির প্রায় ২৮ লাখ টাকার মালামালের মধ্যে ১৮ লাখ টাকার পণ্য গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় সাদুল্লাপুর থেকে দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল আরএফএল কোম্পানির মালামাল বোঝাই একটি ট্রাক নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহের ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। নির্ধারিত সময়ে ট্রাকটি গন্তব্যে না পৌঁছালে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি ও মামলা দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ও আরএফএল-এর আইটি টিম যৌথভাবে জিপিএস প্রযুক্তির সহায়তায় ট্রাকটির অবস্থান শনাক্ত করে। এর সূত্র ধরে ২২ এপ্রিল বগুড়ার নন্দীগ্রাম এলাকা থেকে খালি ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়।
এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চুরি হওয়া মালামালের অবস্থান গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুরে শনাক্ত করা হয়।
২৪ এপ্রিল পলাশবাড়ী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত গুদাম থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করে। একই সময়ে সাদুল্লাপুর থেকে আরও প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি দাবি করেন, তাকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে কিছু লোক তার গুদামে মালামাল রেখে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ২৬ এপ্রিল রাতে সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের মহিপুর ও ধারাই গ্রামে যৌথ অভিযান চালিয়ে আরও প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই রামপ্রসাদ চক্রবর্তী জানান, সাদুল্লাপুরের ইদিলপুর ইউনিয়ন থেকে দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মালামালের একটি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তা সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম হাবিবুর রহমান হাবিব ও ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই হাফিজুর রহমান জানান, রূপগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের সহযোগিতা চাওয়ায় তারা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন এবং মালামালসহ দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় এলাকাবাসী দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/