October 28, 2026, 5:29 pm
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো, মহিলা কলেজে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ

Reporter Name

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো, মহিলা কলেজে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ

মোঃ মাসুদ রানা
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি,
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রোজী মোজাম্মেল মহিলা অনার্স কলেজে দুই শিক্ষকের নামে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠানোর ঘটনায় পুরো ক্যাম্পাসে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্যজনক এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ছুটির সময় অফিস সহকারী রাফিজা খাতুন ডাকযোগে আসা দুটি রেজিস্ট্রি পার্সেল গ্রহণ করেন।১২ এপ্রিল রোববার সকাল ১১টার দিকে কলেজ খোলার পর পার্সেল দুটি খোলা হলে প্রত্যেকটিতে এক সেট করে সাদা কাফনের কাপড় পাওয়া যায়। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ভীতি ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়।
জানা গেছে, পার্সেল দুটি পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলা থেকে পাঠানো হয়েছে। এগুলো কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন এবং ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুস সামাদের নামে প্রেরিত। পার্সেলে কোনো প্রেরকের ফোন নম্বর উল্লেখ না থাকলেও ‘জনি শেখ’ ও ‘লিখন হোসেন’ নামে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে।
ডাকঘর সূত্রে জানা যায়, পার্সেল দুটি গুরুদাসপুর ডাকঘর থেকে রেজিস্ট্রার পার্সল পাঠানো হয় এবং একজন পিয়ন কলেজের অফিস সহকারীর স্বাক্ষর নিয়ে সেগুলো পৌঁছে দেন।
এদিকে অত্র কলেজ সুত্র জানা যায়, কলেজের আয়-ব্যয় সংক্রান্ত বিষয় তদন্তে সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ঘটনা সম্পর্কে আনোয়ার হোসেন ও আব্দুস সামাদ বলেন, “আমাদের কারো সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। কে বা কারা এমন কাজ করেছে, তা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হবে।”
কলেজের অধ্যক্ষ মাহাতাব উদ্দিন বলেন, “এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা। বিষয়টি গুরুদাসপুর থানাকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখছে।”
কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি অধ্যাপক ওমর আলী জানান, “ঘটনার পরপরই জরুরি বৈঠক করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর আলম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এর পেছনে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” # মোঃ মাসুদ রানা , ০১৭৫৫১৭৮৭১২/১২.০৪.২৬



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/