বগুড়ার আবাসিক হোটেলগুলো দেহ ব্যবসার জমজমাট আঁতুঘর, স্বল্প সময়ে সময়ে কোটিপতি হোটেল মালিক
বগুড়ায় আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি এলাকাবাসীর
বগুড়ার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত একাধিক আবাসিক হোটেল ও মোটেলকে ঘিরে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, শহরের ঐতিহাসিক মহাস্থান এলাকা থেকে শুরু করে শহরতলীর মাটিডালি বিমান মোড় হয়ে উত্তরদিকে তিনমাথা রেলগেইট পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় নতুন-পুরাতন মিলিয়ে অন্তত ১৩টি আবাসিক হোটেল ও চাইনিজ রেস্টুরেন্ট-কাম-হোটেলে নিয়মিতভাবে অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, (অজ্ঞাতনামা হোটেল) এই হোটেলগুলোতে চলে দীর্ঘদিনের দেহ ব্যবসা। এদের ব্যবসা হার মানিয়েছে দৌলোদিয়ার মত জায়গা কেউ। অল্প সময়ে কোটিপতি হচ্ছেন হোটেল মালিক গুলো। গেছে কিছু কিছু হোটেল মালিক এই টাকা দিয়ে পবিত্র মক্কায় গিয়ে হজ সেরে এসেছেন বলা হচ্ছে হাজির হোটেল। এলাকাবাসীর দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে এসব ব্যবসা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ হোটেলে একটা রেজিস্টার থাকে যে রেজিস্টার প্রতিদিন স্থানীয় প্রশাসনের আওতায় একজন অফিসার স্বাক্ষর করে থাকেন এরকম অভিযোগ রয়েছে ওই অফিসারকে টাকা দিয়ে ওই রেজিস্টারে স্বাক্ষর করিয়ে নেন হোটেল কর্তৃপক্ষ।
সাংবাদিক মোঃ আসাদুল ইসলাম (এরশাদ)
#Bogura #বগুড়া #আবাসিক #হোটেল