October 28, 2026, 11:15 am
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

খুলনা মহানগরীতে অলিগলিতে চিকিৎসাসেবার নামে অবাধে অবৈধ ব্যবসা করে যাচ্ছে অসংখ্য অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক এন্ড রিসার্চ সেন্টার।

এস.এম.শামীম,খুলনা।

এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে অনেকটা চোর-পুলিশ খেলা চলছে। অভিযানে অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনিস্টিক সেন্টার তালাবদ্ধ করা হলেও পরদিন তা আবার চালু হয়ে যায়।খুলনায় এমনও নজির রয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি হরিনটানা থানাধীন এলাকায় খুলনা র‌্যাবের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত দুটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

৩ দিন আগে খুলনার জেনারেল ডায়গনস্টিক এন্ড রিসার্চ সেন্টার।
থেকে করা একটি রিপোর্ট ভুল প্রমানিত হয়েছে যা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, এবিষয় ফোন কলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বললে তাদের রিপোর্ট ভুল বলে অস্বীকার করেন।

অভিযানে ছফুরা ক্লিনিক ও মোহাম্মাদনগর হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।

এর মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে খুলনার জেনারেল ডায়গনস্টিক সেন্টার, যার মেসিন পুরাতন ও অকেজো , প্রায় অধিকাংশ রিপোর্ট ই ভুল, এমন কি

জেনারেল ডায়গনস্টিক এন্ড রিসার্চ সেন্টার। এর দায়িত্বে থাকা কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা তাদের দেওয়া রিপোর্ট ভুল এবিষয়ে অস্বীকার করেন।

কিন্তু একই রিপোর্ট খুলনার ময়লাপোতা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করানোর পরে দেখা যায় আকাশের পাতাল ব্যবধান জেনারেল ডাইগস্টিক সেন্টার অকেজো মেশিন আর অকেজো ব্যক্তিদের নিয়ে চালাচ্ছে রমরমা ব্যবসা।

২০২৪ সাল পর্যন্ত নবায়ন রয়েছে এমন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা ৯৮টি। এছাড়া নবায়ন হয়নি এমন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা আছে ১৫৭টি। এর মধ্যে ডায়াগণস্টিক সেন্টার ১০২টি এবং ক্লিনিক আছে ৫৫টি। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানের এক বছরের, কারো ২ বছরের কারো বা ৩ বছরের আবার কেউ ৪ বছরেও কোন নবায়ন করেননি।

নগরীতে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদনের ওপরই অনেকেই বছরের পর বছর ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করছেন কিন্তু লাইসেন্স নেই এমন অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে ১৪টি।



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/