October 28, 2026, 3:21 pm
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

তারেক রহমানকে দেখতে যাওয়ার পথে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

Reporter Name

প্রতিনিধি: মোঃ ফরিদ হোসেন গাজীপুর

ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার পথে ভোলায় নিজ বাড়ির সামনে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন সিফাত হাওলাদার (২৮) নামের এক ছাত্রদল নেতা। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের পূর্ব শত্রুতা ও রাজনৈতিক কোন্দলের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিফাত হাওলাদার ওই ইউনিয়নের আলাউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। তিনি রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। তার বাবা আলাউদ্দিন হাওলাদার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত সমাবেশে অংশ নিতে বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন সিফাত। এ সময় বাড়ির সামনেই তার চাচাতো ভাই হাসিব ও সাকিব পথরোধ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়দের সহায়তায় সিফাতকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা আলাউদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমার ছেলেকে হত্যার জন্য আমার ভাইয়ের ছেলেরা ওৎ পেতে ছিল। আজ সুযোগ পেয়ে তারা সিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তদের বাবা হেলাল মেম্বার দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
হত্যাকাণ্ডের পর ভোলা সদর হাসপাতাল এলাকায় স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। বিশেষ করে নিহতের মায়ের কান্নায় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং হাসপাতালে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/