সকালবেলা আনুমানিক ১১ হবে
হঠাৎ মহিদুল মেম্বার এবং এনজিওর লোকজন
নিয়ে সোনাপুর আমার দোকানে আসে এবং তরকো বিতর্ক হয় এবং আমার ওপর হামলা চালায় এর মধ্যে লোকজন এসে মহিদুলকে সরিয়ে নিয়ে জায়।
তাৎক্ষণিক তিনি সারিয়াকান্দি গিয়ে আমার নামে একটা জিডি বা মামলা করেন এবং পুলিশ আসে।
আমি ঘটনার পর কুতুপুর ইউনিয়ন যুবদলের আবু হান্নান অসুস্থ থাকায় আমরা বগুড়াতে আসি তাকে দেখার জন্য
যুবদলের আহ্বায়ক মইদুল ইসলাম মুন্সির নেতৃত্বে।
আসার পর থেকে ফোন পাচ্ছি বাড়িতে লোক যাচ্ছে আমাকে খুজতেছে মারার জন্য আরো ফোন পাচ্ছি বাজারে নাকি বসে আছে আমাকে মারার জন্য লাঠি সোটা নিয়ে।