October 28, 2026, 9:52 pm
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

মহেশখালীতে শ্রমিকদের হাতে অস্ত্র দিয়ে ছবি তোলার অভিযোগ৷

Reporter Name

মহেশখালীতে শ্রমিকদের হাতে অস্ত্র দিয়ে ছবি তোলার অভিযোগ৷

কক্সবাজার থেকে আল আমিন জেলা প্রতিনিধ কক্সবাজারের

মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে নিরীহ লবণ শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আটক করে তাদের হাতে অস্ত্র ধরিয়ে ছবি তোলার অভিযোগ উঠেছে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে। তবে কোস্টগার্ড বলছে, ঘটনাস্থল থেকেই অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়েছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে মাতারবাড়ি ও কালারমারছড়ার মধ্যবর্তী বুইরগাজুড়া এলাকায় কোহেলিয়া নদীর পাড়ের একটি লবণ মাঠ থেকে কয়েকজনকে আটক করে কোস্টগার্ড সদস্যরা। পরে তাদের মহেশখালী পৌরসভাস্থ কোস্টগার্ড কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

আটক ব্যক্তিদের পরিবারের অভিযোগ, আটককৃতদের কারো কাছেই কোনো অস্ত্র ছিল না এবং তারা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তাদের জোরপূর্বক অস্ত্র ধরিয়ে ছবি তোলা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মিথ্যা মামলা বা অপরাধ প্রমাণের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বজনরা।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—দক্ষিণ ঝাপুয়া এলাকার ছাবের আহমদ (৪৭), পিতা ইউসুফ আলী; ছালেহ আহমদ (৪০), পিতা ইউসুফ আলী; গফুর, পিতা আলী হোসেন; হুমায়নু, পিতা জয়নাল; আব্বাস ও আবদুল হক (পিতার নাম অজ্ঞাত)। স্থানীয়দের দাবি, তারা সবাই লবণ মাঠে কাজ করা শ্রমিক বা জমির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

ছাবের আহমদের স্ত্রী খদিজা বেগম অভিযোগ করে বলেন, লবণ জমি নিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে কোস্টগার্ডকে ব্যবহার করে তার স্বামী, ভাসুর ও শ্রমিকদের আটক করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আটক অবস্থায় তার স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লে কোস্টগার্ড সদস্যরা তার মোবাইল ফোন থেকে ওষুধ আনার জন্য পরিবারকে যোগাযোগ করতে বলেন। ছাবের আহমদ হৃদরোগে আক্রান্ত বলেও জানান তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় কোস্টগার্ড সদস্যদের সঙ্গে মুখ বাঁধা কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন, যাদের সোর্স হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারাই বিরোধপূর্ণ পক্ষের লোক এবং তাদের দেখানো অনুযায়ী আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রথমে লবণ মাঠ থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরে জমির মালিক ছালেহ আহমদ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১০ নম্বর গেট এলাকায় আটক হন। তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি এখনো ঘটনাস্থলে পড়ে আছে বলে দাবি পরিবারের।

অন্যদিকে কোস্টগার্ডের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, আটককৃতদের ঘটনাস্থল থেকেই অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/