নিজস্ব প্রতিবেদন।
আন্তর্জাতিক
তারেক রহমান ১৮ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে ছিলেন। এত বছর ব্রিটেনে থাকার পর তার মধ্যে ব্রিটিশ রাজনৈতিক সংস্কৃতি, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই ১৮ বছরে তিনি আন্তর্জাতিক লবিং, বৈশ্বিক রাজনীতি কিংবা কোনো নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নিজেকে দৃশ্যমান করতে পারেননি। কোনো প্রভাবশালী মন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা বা আন্তর্জাতিক লবিং ফার্মের সঙ্গে তার উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক দেখা যায়নি। এমনকি এমন কোনো সেমিনার বা আন্তর্জাতিক ফোরামও নেই, যা তাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছে।
অন্যদিকে, জুলাই বিপ্লবের পর মাত্র ১৬ মাসেই জামাতের আমীর লন্ডন, আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রভাবশালী লবিং ফার্ম এবং শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন—বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি কী হবে, ভবিষ্যৎ রূপরেখা কেমন হবে।
এটাই নেতৃত্ব।
এটাই আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব।
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে আমাদের এমন নেতৃত্বই দরকার—যারা কথা নয়, কাজ দিয়ে দেশের অবস্থান বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে পারে।