October 29, 2026, 3:17 am
শিরোনাম:
সখিপুর থানা ছাত্রদলের সভাপতি হলেন বিএম কবির হোসেন । ওসমানীনগরে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রবাস ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬ ইং ০৮/১০/২০২৬ তারিখ রাত্রীকালিন সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে কক্সবাজারে প্রথমবার ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল শুরু ১ নভেম্বর থেকে নিখোঁজের সন্ধান চাই- ৩০ পিস ইয়াবাসহ মানিকগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গ্যাসের দাবিতে উত্তাল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ মংলা-সুন্দরবন আনন্দ ভ্রমণ উপলক্ষে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রেসক্লাবের উপহার মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা শরীয়তপুর পদ্মা নদীতে ভারতীয় মদসহ আটক ২

গুরুদাসপুরে পরিত্যক্ত অডিটোরিয়ামে মাদকের আকড়া, —অপসারণে শিক্ষার্থী-সুধীজনের দাবি

মোঃ মাসুদ রানা গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি,

গুরুদাসপুরে পরিত্যক্ত অডিটোরিয়ামে মাদকের আকড়া, —অপসারণে শিক্ষার্থী-সুধীজনের দাবি

মোঃ মাসুদ রানা গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি,

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা কলেজ প্রাঙ্গণে বহু বছরের পুরোনো অর্ধনির্মিত ও পরিত্যক্ত অডিটোরিয়ামটি এখন পরিণত হয়েছে নেশাগ্রস্তদের আড্ডাখানায়। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা এ ভবনটি কলেজের নিরাপত্তা, পরিবেশ ও সৌন্দর্য—সবকিছুকেই ব্যাহত করছে।শুধু দিনের বেলাতেই নয়, রাতের আঁধারেও এখানে চলছে নেশাদ্রব্য সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ এবং ধ্বংসের মুখে পড়ছে এলাকার যুবসমাজ।

পরিত্যক্ত ভবনটির কারণে শিক্ষার্থীরা চলাচলে চরম সমস্যায় পড়ছেন। নারী শিক্ষার্থীরাও হয়রানি এবং নিরাপত্তাহীনতার শিকার হচ্ছেন নিয়মিত। কলেজের বিভিন্ন হলে পাঠদানেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। স্থানীয়রা জানান, ভবনের ছাঁদ ভেঙে পড়ছে—যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

জানা যায়, ১৯৮৬ সালে এরশাদের শাসনামলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে অডিটোরিয়ামটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ শেষ না হওয়ায় বহু বছর ধরে অর্ধনির্মিত অবস্থায় পড়ে থাকে ভবনটি। বর্তমানে দরজা-জানালা নেই, লোহার কাঠামোও নষ্ট হয়ে গেছে।

সেসময়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, “অডিটোরিয়ামের কাজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে শুরু হয়েছিল। ঠিকাদার রেটকোর্ট থাকার জন্য পরে কাজ করতে অনিহা প্রকাশ করে চলে গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনেক চিঠি দেওয়া সত্বেও ঠিকাদার আসে নাই। তাই নির্মান কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়নি। বহুদিন ধরে ভবনটি এভাবেই পরিত্যক্ত পড়ে আছে।”

শিক্ষার্থীরা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবনটি অপসারণ না করা হলে তারা নিজেরাই ভবনটি ভেঙে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেবেন।

কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. একরামুল হক বলেন, “পরিত্যক্ত ভবনটি অপসারণ করা জরুরি। তবে এটি সরকারি কলেজ হওয়ায় আমরা ইচ্ছামতো কোনো ব্যবস্থা নিতে পারি না। জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।”# ১৬/১/২০২৬ইং মোঃ মাসুদ রানা গুরুদাসপুর নাটোর ০১৭৫৫১৭৮৭১২,



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/