July 29, 2026, 8:14 am
শিরোনাম:
বগুড়ার মহাস্থান ফুটওভার ব্রিজের নিচে অবৈধ দখলদারিত্বঃ চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও যানবাহন চালকেরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সদস্যপদ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সদস্যপদ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা ভেদেরগঞ্জে নবম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ। রৌমারীতে কোলের শিশু ফেলে প্রবাসীর স্ত্রীর পলায়ন: পারিবারিক সচেতনতা কতদূর? শরীয়তপুরে চুরির অপবাদ দিয়ে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ আনোয়ার মোল্লার বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ সাময়িক বরখাস্ত: আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে অর্পণ গোপালগঞ্জ পৌরপার্কে বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন। মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যুবদল নেতা কামরুজ্জামান স্বপন মাদক, জুয়া ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আলোচনা সভা।

শিরোনামঃ একের পর এক বিয়ে করাই যেন মা-মেয়ের পেশা! মেয়ের ১ম সংসার শুরু মায়ের ৩য় স্বামীর সাথে

Reporter Name

সংবাদঃমোঃফরিদ হোসেন গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
বয়স তার ৩৬, নাম হাবিবা খানম নূপুর, এই বয়সেই তিন স্বামীকে ত্যাগ করে, করছেন চতুর্থ স্বামীর সংসার, বলছি গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছৈলাদী গ্রামের মা বিলকিস এবং মেয়ে হাবিবা খানম নূপুরের কথা। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করে স্বামীকে স্বর্বশান্ত করাই যেন তাদের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আকর্ষণীয় চেহারায় আকৃষ্ট হয়ে সব হারাচ্ছেন হাবিবা খানম নূপুর এবং তার মা বিলকিস এর প্রতারণার শিকার হওয়া পরিবারগুলো। প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক, এরপর বিয়ে, তালাক ও পরে কাবিননামার টাকা আদায় ও নারী নির্যাতনের মামলা দিয়ে টাকা আদায়। এমন প্রতারণায় নেমেছে এক শ্রেণির নারী। তেমনই দুইজন মা-মেয়ের গল্প এই প্রতিবেদনে। যাদের কাজই হচ্ছে একের পর এক বিয়ে করা। এক কাবিননামায় দেখা যায়, ২০০৩ সালের ১৬ জুলাই মুন্মিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার শেখের নগর এলাকার আব্দুল মান্নান এর ছেলে পুলিশের(এস.আই) মাহফুজুর রহমানকে বিয়ে করে বিলকিস তার কয়েক বছর পর ২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর পুলিশের ঐ (এস.আই) মাহফুজুর রহমানকে বিয়ে করেন পিতা সাজু চৌধুরী এবং মাতা বিলকিস এর মেয়ে হাবিবা খানম নূপুর। নূপুরের বিয়ের কয়েক মাসের মাথায় ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২নং আদালত, ঢাকা মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করে নূপুর, যাহার নং ২২৩/১০। এ মামলা নিষ্পত্তির অল্প কিছুদিনের মধ্যেই হাবিবা খানম নূপুর বাবার নাম পরিবর্তন করে নয়ন ব্যবহার করে ২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার ছৈলাদী গ্রামের মো: ইসহাক পনির মিয়ার ছেলে মাহমুদুর রহমান এর কাছে বসলেন ২য় বিয়ে। ২য় বিয়ের এক বছর পের হতে না হতেই ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিয়ে বসলেন গাজীপুরের উত্তর ছায়াবথিী এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে মো: খুরসিদুল হক(ইমন) এর কাছে। ১ম, ২য, ৩য় তিন স্বামীর কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বাদী হাবিবা খানম নূপুর আদালতে হাজির হয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, বাদী তার মোহরানাসহ যাবতীয় পাওনা বুঝে পেয়ে বিবাদী স্বামীর সাথে আপোষ মীমাংসা করেছেন। বর্তমানে তিনি আছেন ৪র্থ স্বামীর সংসারে। শুধুমাত্র বহু বিবাহ নয় বিলকিস নিজ গ্রাম ছৈলাদী এলাকায় সি, এস/এস এ ৫৭০ এবং ৫৭১ দাগে জমি দাবি করে একাধিক সালিশ বসলেও কোন সঠিক কাগজপত্র দাখিল করতে না পারে নাই এবং অবশিষ্ট কোন জমি পাবে না। ২০০৭ সালের ১০ই ডিসেম্বর তৎতকালীন চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ দেওয়ান এবং ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর তৎতকালীন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান কর্তৃক প্রদান কৃত প্রতিবেদন এর মাধ্যমে যানতে পারা যায় যে বিলকিস যতটুকু জমি পায় তার থেকে বেশি বিক্রি করায় উক্ত ৫৭০ এবং ৫৭১ দাগে আর কোন জমিন পায় না। কিন্তু বর্তমানে উক্ত দাগে বিলকিস জোর পূর্বক জমি দখল করে আছে। এসব বিষয়ে বিলকিস এবং হাবিবা খানম নূপুরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি বলে তার কোন বক্তব্য য়ো যায়নি। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে হাবিবা খানম নূপুরের এ প্রতারণার শেষ কোথায়?



https://www.facebook.com/share/1HLvQCbic1/