কক্সবাজারে বাড়ছে পর্যটক এর উপস্থিতি কক্সবাজার থেকে আল আমিন জেলা প্রতিনিধি
শনিবার ছুটির দিনের সমুদ্র সৈকত।প্রকৃতির এই লীলা নিকেতনে পর্যটকের ভীড়।
নারায়নগঞ্জের রুপগঞ্জের মিনাক্ষী চক্রবর্তী প্রথমবার পরিবার নিয়ে এসেছেন সমুদ্র দেখতে। তিনি জানান,অগনিত ঢেউ আর পশ্চিমের আকাশে সূর্যের অস্ত যাওয়া। সবমিলিয়ে এক অপূর্ব মূহুর্ত, অন্যরকম ভালো লাগা।
বরিশালের ছগির দস্তিদার সমুদ্র শহরে এসেছেন শুক্রবার। বাচ্চাদের পরীক্ষা শেষ। তাই এই সময়ে ঘুরতে আসা। এখানকার পরিবেশ, নিরাপত্তা অন্য সময়ের চেয়ে ভালো বলে জানান তিনি।
এদিকে পর্যটকের আনাগোনা বাড়ায় সচল হয়েছে সাগরতীরের ব্যবসা। অতীতের হতাশা কাটিয়ে চাঙ্গা হয়েছে পর্যটন খাত। হোটেল গুলোতে পর্যটকের সরব উপস্থিতি পর্যটন ব্যবসায়ীদের আশার আলো দেখাচ্ছে।
ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার, টুয়াকের সাধারণ সম্পাদক নুরুল কবির পাশা পল্লব জানান, প্রায় ৮০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে হোটেল গুলোর। বাচ্চাদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ, তাছাড়া সামনে নির্বাচন তার আগেই সবাই কক্সবাজার ঘুরতে আসছে। এর পাশাপাশি থার্টি ফাস্ট কে কেন্দ্র করে প্রতিটি হোটেলের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বীচে সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকে তাহলে পর্যটকের চাপ আরো বাড়বে বলে তিনি জানান।
হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইজের ফ্রন্ট অফিস ম্যানেজার একে রানা বলেছেন, পর্যটক চাপ বাড়তে শুরু করেছে ৭০% রুম বুকিং হয়েছে। তবে তিনি রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটকের চাপ অন্য বছরের তুলনায় কম বলে জানান।
অন্যদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন,হয়রানি প্রতিরোধসহ পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবায় রাতদিন কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। পর্যটকদের কোনো সমস্যা হলে বা যে কোনো ধরনের সাহায্য প্রয়োজন হলে ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।
সব মিলিয়ে ধীরে ধীরে পর্যটকের উপস্থিতি বাড়ছে কক্সবাজারে। ডিসেম্বর মাস জুড়েই থাকবে পর্যটকের চাপ এমনই বলছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।