দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক জোবায়ের হোসেন যাদু নিয়োগের নামে এত এত টাকা নিয়ে প্রতিনিধিদের নিউজ না করে গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দেয় আর গ্রুপ মেম্বার দেখুন মাত্র এগারোজন দেখা যাচ্ছে।
পত্রিকায় নিউজ দিলে টাকা দিতে হয় এই কথা আর কোথাও শুনিনি।
কুরিয়ারের মাধ্যমে বা গাড়িতে বা ডাকে যেভাবে ই হোক প্রতিদিন পত্রিকা বিভিন্ন জেলায় জেলায় পাঠানো হয় তার ফি বাবদ হাজার পনেরো শ টাকা প্রতিনিধিগন পত্রিকা অফিসকে দিবে এছাড়া পত্রিকায় নিউজ দিলে টাকা দিতে হয় এই কথা কোথাও শুনিনি।
নিয়োগের পুর্বে বলে কোনো টাকা পয়সা লাগবেনা অথচ পরে পত্রিকার নিউজ এডিটর ফি একহাজার টাকা দিতে হবে বলে তাদের সাথে দ্বন্দ্ব শুরু করে রিমুভ করে দেয় আর কার্ড দেয়ার নামে সারে তিন হাজার বা তার বেশি যার কাছে যেমন নিতে পারে বোকা বানিয়ে,সেই টাকা আর ফেরত দেয়না।
এভাবে প্রতারণা করে কার্ড বিক্রি করে তার জীবন জীবিকা চলে।
শুধু তাই নয় পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার নামে পত্রিকার শেয়ার দিবে লাভবান হবে বলে শেয়ার পার্সন পরিচালক বানানোর নামেও লাখ লাখ টাকা, ১-৩ লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
শুধু তাই নয় তার তেরোতম স্ত্রীর অভিযোগের ব্যাপারে ও আমরা কাজ করছি। তিনি নিজের বিষয়ে গোপন করে ছলনা ও মিথ্যা বলে ফুঁসলিয়ে বাড়িগাড়ির লোভ দেখিয়ে মেয়েদের কে বিয়ে করে কিছুদিন দু চার মাস ভোগ্যপণ্যের মতো ব্যবহার করে তারপর আবার আরেকজন ধরে পালিয়ে যায়।
প্রতারণার শিকার অসংখ্য সাংবাদিক ভাই বোনদের থেকে কার্ড নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে শুনে শুনে কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। একজন সাংবাদিক হিসেবে এই বিষয়টাকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে এইটুকু করতে চাই যে , যে সকল সাংবাদিক ভাই-বোন তার প্রতারনার শিকার হয়েছেন তারা এই দেশ প্রতিদিন পত্রিকার সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করতে এগিয়ে আসুন আপনাদের যার কাছে এমন যা কিছু তথ্য আছে তা দিয়ে এই প্রতারনা বন্ধে এগিয়ে আসুন। আমাদের কাছে এমন অনেক প্রমান রয়েছে তবে আরো অনেক চাই। বস্তা ভর্তি করে তথ্য প্রমাণ দিয়ে এই প্রতারনার শেষ করতে চাই।
এই জোবায়ের হোসেন যাদু শুধু যে দেশ প্রতিদিন দিয়ে প্রতারনা করে আসছে তা শুধু নয় অসংখ্য নারীর সাথে ও প্রেম ও বিয়ে প্রতারনা করে আসছে সবাই একত্রে এগিয়ে এসে তথ্যপ্রমাণ জড়ো করে আসুন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। আমরা সহযোগিতা করব, নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে সবসময় আছি থাকবো।