জামাই-শাশুড়ি কট, বিস্তারিত থাকছে প্রতিবেদনে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের ভাজা
কালাই মহেশপুর গ্রামে এক অস্বাভাবিক পারিবারিক ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোভ্যান চালক শরিফুল ইসলাম একাধিক বিয়ের জন্য আগেই আলোচিত ছিলেন। সর্বশেষ তার অষ্টম স্ত্রীর মায়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠে। গতকাল পীরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের চকফুলা গ্রামে শাশুড়ির বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। পরে ঘটনাটি গোপনে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিধবা শাশুড়ি মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে জামাইকে নিজ বাড়ি পীরগঞ্জের চকফুলায় ডেকে নেন। দুপুরের দিকে নিজ শয়নকক্ষে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রামের সচেতন মহল বিষয়টি বড় আকার ধারণ না করতে তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়। এ সময় একটি স্ট্যাম্পে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় ভবিষ্যতে উভয়ের মধ্যে কোনো ধরনের যোগাযোগ থাকবে না।
এ বিষয়ে শরিফুলের নিজ এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য বাসু মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, অভিযুক্তের একাধিক বিয়ের ইতিহাস রয়েছে। মীমাংসা বৈঠকে ভুক্তভোগী নারীকে অসহায় বিবেচনায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হলেও ভিডিও ফাঁস হয়ে পড়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে মেয়েকে (স্ত্রীকে) জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বামীর সঙ্গে সংসার না করার সিদ্ধান্ত জানালে তালাক প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। ঘটনার পর গ্রামবাসী অভিযুক্তকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে এবং ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দায় নেবেন না বলেও সিদ্ধান্ত হয়।